শনিবার , ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ৫ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ছাড়ার ইঙ্গিত ওয়াশিংটনের

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১:১৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

পাকিস্তানে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার মাঝেই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর খবর সামনে এসেছে। কাতারসহ বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের কয়েক বিলিয়ন ডলারের জ জব্দকৃত অর্থ (Frozen Assets) ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদিও তেহরান একে ইতিবাচক অগ্রগতি বলছে, ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

এই অর্থ সংক্রান্ত জটিলতা ও বর্তমান পরিস্থিতির মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:


১. অর্থের পরিমাণ ও উৎসের ইতিহাস

ইরানি সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০০ কোটি (৬ বিলিয়ন) ডলার ছাড়ার বিষয়ে সমঝোতা হতে যাচ্ছে। এই অর্থের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিম্নরূপ:

  • উৎস: এই অর্থ মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়। ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ আটকে যায়।
  • কাতার কানেকশন: ২০২৩ সালে কাতারের মধ্যস্থতায় এক বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কাতারের ব্যাংকগুলোতে স্থানান্তর করা হয়।
  • পুনরায় জব্দ: ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে যে ইরান এতে উস্কানি দিয়েছে, এবং এর ফলে কাতারের ব্যাংকে থাকা ওই অর্থ পুনরায় ব্যবহার অযোগ্য করে দেয় ওয়াশিংটন।

২. বর্তমান আলোচনার প্রেক্ষাপট ও শর্ত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলোর মতে, এবার অর্থ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করার শর্তের সাথে যুক্ত।

  • ইরানের অবস্থান: তেহরান এই অর্থকে তাদের ‘ন্যায্য অধিকার’ হিসেবে দেখছে এবং আলোচনার টেবিলে একে প্রধান দাবি হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
  • যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল: ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর অস্বীকার করলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদ বৈঠকে বরফ গলাতে এটি একটি ‘টোপ’ হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে আগের মতো এবারও শর্ত থাকতে পারে যে, এই অর্থ কেবল খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক কাজে ব্যয় করা যাবে।

৩. কেন এই লুকোচুরি?

যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে:

  • অভ্যন্তরীণ রাজনীতি: যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের বছরে ইরানকে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
  • নিরাপত্তা গ্যারান্টি: ইরান যতক্ষণ না পর্যন্ত লেবানন ও লোহিত সাগরে তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীদের শান্ত করার সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র হয়তো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে চাইছে না।

৪. বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর প্রভাব

যদি এই ৬০০ কোটি ডলার সত্যিই ছাড় দেওয়া হয়, তবে তা ইরানের ভেঙে পড়া অর্থনীতিতে বড় ধরণের অক্সিজেন যোগাবে। একইসাথে এটি প্রমাণ করবে যে, জেডি ভ্যান্স ও মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের মধ্যকার আলোচনা একটি বাস্তবধর্মী সমাধানের দিকে এগোচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং তেলের দাম পুনরায় ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের নিচে নামার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

ইসলামাবাদের এই আলোচনা কি কেবল অর্থ ছাড়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি পরমাণু চুক্তির মতো বড় কোনো সিদ্ধান্তের দিকে যাবে—তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সূত্র: রয়টার্স

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালি পার হতে বাংলাদেশি জাহাজের যাত্রা শুরু

হিট প্রকল্পে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতির অভিযোগ শাবিপ্রবি শিক্ষকদের

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৩২৫

খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনী প্রধান উপস্থিতি

জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

সবুজ প্রযুক্তি, পাট ও ওষুধশিল্পের বড় বিনিয়োগে আগ্রহ চীনের

ক্রসফায়ারে নিহত রব্বানীর পরিবার পাচ্ছে নতুন বাড়ি

ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ নারায়ণগঞ্জে উদ্বোধন

ফারুক হাসানের ওপর হামলা অপরাজনৈতিক তৎপরতার বহিঃপ্রকাশ: জাতীয় নাগরিক কমিটি