পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন। এতে পদ্মা সেতুতে যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) পর্যন্ত টানা তিন দিনে সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ টাকারও বেশি।
তিন দিনের টোল আদায়ের খতিয়ান:
- ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার): ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পারাপার এবং ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায়।
- ১৮ মার্চ (বুধবার): ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন চলাচল এবং ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫০ টাকা টোল আদায়।
- ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার): ৩৯ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপার এবং ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায়।
- মোট সংগ্রহ: তিন দিনে সর্বমোট টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি।
পদ্মা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েদ নিলয় জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে মাওয়া টোল প্লাজায় বড় যানবাহনের জন্য ৭টি এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৩টি আলাদা টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে। আধুনিক ও দ্রুতগতির টোল আদায়ের ব্যবস্থার কারণে এবার কোথাও কোনো যানজট বা দীর্ঘ অপেক্ষার খবর পাওয়া যায়নি। দক্ষিণবঙ্গের মানুষ কোনো বাধা ছাড়াই পদ্মা সেতুর সুফল ভোগ করে ঘরে ফিরছেন।



















