মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন আরও উত্তপ্ত। আজ শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) সকালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি (AP) ও এএফপি (AFP) জানিয়েছে, একটি মিসাইল সরাসরি দূতাবাসের ভেতরে থাকা হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং প্যাডে (হেলিপ্যাড) আঘাত হেনেছে।
ঘটনার বিস্তারিত:
- মার্কিন দূতাবাসে হামলা: শনিবার সকালে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস চত্বরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি মিসাইল হেলিপ্যাডে আঘাত হানায় সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
- সৌদি আরবে ক্ষয়ক্ষতি: এদিকে, ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ নিশ্চিত করেছে যে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ৫টি রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট (KC-135 Stratotanker) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিমানগুলো বর্তমানে মেরামতাধীন রয়েছে।
- রণক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ইরাকে একটি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৬ জন ক্রু সদস্যই নিহত হয়েছেন। যদিও সেন্টকম বলছে এটি যান্ত্রিক বা অন্য কারণে হতে পারে, তবে ইরাকি প্রতিরোধ যোদ্ধারা (Islamic Resistance in Iraq) এটি ভূপাতিত করার দাবি করেছে।
বিশ্লেষণ: ইরানের তেল স্থাপনা বা খারেগ দ্বীপে সাম্প্রতিক হামলার জবাবে তেহরান এবং তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলো এই পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন দূতাবাস ও সৌদি আরবের ঘাঁটিতে এই জোরালো হামলা প্রমাণ করে যে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো জায়গাই এখন আর নিরাপদ নয়। এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি এবং তেলের বাজারে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
আমি কি আপনাকে মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ অথবা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা অতিরিক্ত সৈন্য সংক্রান্ত কোনো আপডেট দিয়ে সহায়তা করতে পারি?
সোর্স: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল



















