সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে নিজের নামে ট্রাস্ট গঠন করে গ্রামীণ কল্যাণ ও গ্রামীণ টেলিকমের অর্থ আত্মসাৎ এবং আয়কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালে বিদেশে অর্থ পাচারের একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। অন্যদিকে, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা ও জামিন বাণিজ্য এবং বিচারক পদায়নে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অন্তত এক ডজন অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার বদলি এবং আলোচিত আসামিদের জামিন পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে বিপুল অর্থ লেনদেনের দাবি করা হয়েছে অভিযোগগুলোতে।
তালিকায় সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, বিদেশে অর্থ পাচার এবং বেআইনি বিটকয়েন লেনদেনের তথ্য-প্রমাণসহ অভিযোগ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী। এ ছাড়াও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখল ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের বিরুদ্ধে সামিট গ্রুপের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। দুদক জানিয়েছে, প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান চালানো হবে এবং হয়রানি রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা হবে।



















