জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভোরে এক ফেসবুক পোস্টে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, একটি সুস্থ ও কার্যকর গণতন্ত্রের প্রধান শর্তই হলো সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা। তাঁর মতে, ভিন্নমতকে দমন করার পুরনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একে স্বাগত জানানোই হওয়া উচিত আধুনিক বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি।
ডা. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টে ‘জুলাই বিপ্লব’-এর মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই জুলাই।” তিনি বর্তমান সরকারি দল বিএনপি এবং তাঁর নিজস্ব দল জামায়াতে ইসলামীর অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন যে, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে উভয় পক্ষই স্বাধীনভাবে কথা বলার ক্ষেত্রে কঠোর দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার ও শ্বাসরুদ্ধকর সময়ে আর ফিরে না যাওয়ার ব্যাপারে তিনি দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।
বিরোধীদলীয় নেতার এই অবস্থানকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার যখন তাদের রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ শুরু করেছে, তখন প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুশাসনের পক্ষে এমন জোরালো অবস্থান সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য আশাব্যঞ্জক। ডা. শফিকুর রহমানের এই বার্তা মূলত রাষ্ট্রের সকল স্তরে সহনশীলতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।



















