মন্ত্রিসভার আকার ও গঠনের রূপরেখা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার দিকে। দলের নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা গেছে, এবার খুব বড় আকারের মন্ত্রিসভা গঠন না করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রবীণ নেতাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তরুণ নেতাদের গতিশীলতার সমন্বয়ে ৩২ থেকে ৪২ সদস্যের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু কার্যকর মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে এই বিষয়ে প্রাথমিক রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্ভাব্য মন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ মুখ দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে দুটি গুঞ্জন রয়েছে—হয় তিনি সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবেন, অথবা তাঁকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করা হতে পারে। এছাড়া স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাহউদ্দিন আহমদের মতো হেভিওয়েট নেতারা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দেশবাসীকে একটি আধুনিক ও জনকল্যাণমুখী মন্ত্রিসভা উপহার দেওয়ার জন্য আর অল্প কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।
টেকনোক্র্যাট কোটা ও বিশেষ নিয়োগ সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার ১০ শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য নন এমন মেধাবী ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব (টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী)। বিএনপির তালিকায় টেকনোক্র্যাট কোটায় সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন:
- রুহুল কবির রিজভী (সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব)
- হাবিব-উন-নবী খান সোহেল (যুগ্ম মহাসচিব)
- অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল (মিডিয়া সেল আহ্বায়ক)
- মাহদী আমিন (চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা)
- নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমান (স্থায়ী কমিটির সদস্য) এছাড়া দলের মেধাবী ও তরুণ নেতাদের একটি অংশকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ দায়িত্ব বা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।



















