অভিনন্দন বার্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অঙ্গীকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ ও ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাঁদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে তারা নতুন সরকারের সাথে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী। উল্লেখ্য যে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তাঁর ব্যক্তিগত ‘X’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকেও এই বিজয়কে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার শুরু বিএনপি জোটের এই বিপুল বিজয়ের পর প্রথম সারির দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানাল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৭ বছর পর নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপির এই বিশাল সাফল্য এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের আস্থার প্রতিফলনকে ওয়াশিংটন ইতিবাচকভাবে দেখছে। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রই নয়, ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারিও তারেক রহমানকে পৃথক বার্তার মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
আগামীর কূটনৈতিক সমীকরণ মার্কিন দূতাবাসের এই শুভেচ্ছা বার্তাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুতে সরব থাকা যুক্তরাষ্ট্র এখন নতুন বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সাথে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে চায়। তারেক রহমানও তাঁর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে পশ্চিমাদের সাথে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়ায় এক ধরনের গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।



















