প্রচারণার যবনিকা ও আচরণবিধি দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর বর্ণাঢ্য প্রচার-প্রচারণার পর আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সকাল থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের জনসভা, মিছিল ও প্রচারণা নিষিদ্ধ। এখন প্রার্থীরা সরাসরি মাঠের যুদ্ধের বদলে শেষ মুহূর্তের গাণিতিক হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গোটা দেশ এখন উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।
ভোটগ্রহণের সময়সূচি ও পদ্ধতি নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা সনাতন পদ্ধতিতে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিতে ইতিমধ্যে এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নেমেছেন, যারা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সক্রিয় থাকবেন।
যানবাহন ও নিরাপত্তা নির্দেশনা ভোটের দিন বিশৃঙ্খলা এড়াতে কমিশন থেকে কড়া নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্টরা নির্বাচনী কাজে যে যানবাহন ব্যবহার করবেন, তাতে চালকসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন আরোহী থাকতে পারবেন। এর অতিরিক্ত যাত্রী বহন করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া আজ মধ্যরাত থেকেই মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে, তা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতের একটি বড় অংশ। এখন কেবল অপেক্ষা ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচনের।



















