আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই তাদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন যে, এই নির্বাচন অবশ্যই ১২ তারিখে হতে হবে এবং যারা নির্বাচন পণ্ড করার নীল নকশা করছে, তাদের জনগণকে সাথে নিয়ে রুখে দিতে হবে। জাবের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, হামলাকারীদের ষড়যন্ত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে এবং ১২ তারিখের নির্বাচনে অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে।
ভিডিও বার্তায় তিনি আসন্ন গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তার মতে, জুলাই সনদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করে ক্ষমতায় নিয়ে আসার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক স্বার্থেই এই গণভোট এবং সংসদ নির্বাচন সময়মতো হওয়া জরুরি।
পুলিশি হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে জাবের অভিযোগ করেন যে, তাদের খুনের উদ্দেশ্যেই আক্রমণ করা হয়েছে। তিনি জানান, সালাউদ্দিন আম্মারের মাথা লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার ফলে তার মুখে সেলাই দিতে হয়েছে এবং হাতে ব্যান্ডেজ করতে হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য সহকর্মীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন এবং নারী কর্মীদের গলা টিপে ধরার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার কথা তিনি উল্লেখ করেন। পুলিশের নির্বিচার পিটুনিতে ফাহিমসহ বেশ কয়েকজনের হাত ভেঙে গিয়েছে এবং এক কর্মীকে সংকটাপন্ন অবস্থায় অক্সিজেন দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে বলেও তিনি জানান।
জাবের তার বক্তব্যে সাফ জানিয়ে দেন যে, তাদের ওপর হামলা চালিয়ে বা কর্মীদের আহত করে নির্বাচন পেছানো যাবে না। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তারা এক ভাইকে হারিয়েছেন এবং প্রয়োজনে আরও ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছেন। তবে নির্বাচন কোনোভাবেই স্থগিত করা যাবে না। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নির্বাচনের পর যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা যদি হাদি হত্যার বিচার বা বর্তমান পরিস্থিতির সুষ্ঠু সমাধান না করে, তবে আন্দোলনকারীরা তাদের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন করে তুলবে।



















