দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) টোকিওতে জাপানের সাথে ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (EPA) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। কোনো দেশের সাথে এটিই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক চুক্তি। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও এই চুক্তিতে সই করেন। এর ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ ৭,৩৭৯টি পণ্য জাপানে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে এবং জাপানের ১২০টি সেবাখাতে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে। ২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর রপ্তানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জাপানি বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণে এই চুক্তিকে একটি ‘কৌশলগত লাইফলাইন’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চুক্তিটির প্রধান সুবিধাগুলো একনজরে:
| খাতের নাম | বাংলাদেশের প্রাপ্ত সুবিধা |
| পণ্য রপ্তানি | ৭,৩৭৯টি পণ্য (পোশাকসহ) শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। |
| পোশাক খাত | ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধায় কাঁচামালের শর্ত শিথিল। |
| শ্রমবাজার | আইটি, নার্সিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং-সহ ১৬টি বিভাগের ১২০টি উপখাতে কর্মসংস্থান। |
| বিনিয়োগ | অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি। |



















