আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট অবশেষে ২৫৩টি আসনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি, ২০২৬) রাতে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জোটের অন্যতম প্রধান শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অনুপস্থিতি সবার নজর কাড়ে। দীর্ঘ আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা চললেও শেষ পর্যন্ত চরমোনাই পীরের দল এই সম্মেলনে যোগ দেয়নি। এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে এবং জোটের সাথে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) নতুন করে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ জানান, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জোটের আসন বণ্টন নিয়ে দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ২৫৩টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ ১৭৯টি আসন পেয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি আসন পেয়েছে। অন্যান্য শরিকদের মধ্যে এবি পার্টি ৩টি, বিডিপি ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি করে আসন পেয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, কিছু আসনে এখনো দ্বৈততা বা ছোটখাটো ঝামেলা রয়ে গেছে, যা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগে সমন্বয় করা হবে। ইসলামী আন্দোলন এই সমঝোতায় না আসায় জোটের ভবিষ্যৎ ঐক্য এবং অবশিষ্ট ৪৭টি আসনের ভাগ্য এখন ঝুলে আছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা চলছে।



















