ডিএমটিসিএলের ৯০০–র বেশি কর্মকর্তা–কর্মচারী অভিযোগ করেছেন, প্রতিষ্ঠার ১২ বছর পরেও তাদের জন্য স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা চূড়ান্ত হয়নি। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হলেও তারা ছুটি, সিপিএফ, গ্র্যাচুইটি, শিফট–অ্যালাউন্স/ওভারটাইম, গ্রুপ ইনস্যুরেন্সসহ মৌলিক সুবিধা পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন।
তাদের অভিযোগ, উপদেষ্টা কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে সার্ভিস রুল প্রণয়নের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির আন্দোলনের পর ২০ মার্চের মধ্যে রুল চূড়ান্তের আশ্বাস দিলেও তা কার্যকর হয়নি। ৯ মাস ধরে এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হওয়ায় কর্মীদের ক্ষোভ চরমে ওঠেছে।
কর্মচারীরা জানান, ১০ ডিসেম্বর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সভায় জানিয়েছেন—সার্ভিস রুলের সব ধারায় পরিচালনা পর্ষদ একমত হলেও ‘বিশেষ বিধান’ সংক্রান্ত একাদশ অধ্যায়ই প্রধান বাধা। এই অধ্যায় মেট্রোরেল প্রকল্পের জনবলকে ডিএমটিসিএলে আত্মীকরণ করার প্রস্তাব দেয়, যা কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী প্রচলিত আইন ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পরিচালনা পর্ষদ এই বিতর্কিত অংশ বাদ দিতে চাইলেও কর্তৃপক্ষের চাপেই রুল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
কর্মচারীরা ঘোষণা দিয়েছেন—১১ ডিসেম্বরের মধ্যেও সার্ভিস রুল প্রকাশ না হলে ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার ভোর ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি এবং যাত্রী সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এতে দৈনিক কয়েক লাখ যাত্রীর ভোগান্তি সৃষ্টি হলেও কর্মীদের দাবি, “দায় কর্তৃপক্ষের, আমাদের আর কোনো আশ্বাস নয়—প্রকাশিত সার্ভিস রুল ছাড়া কোনো সমাধান নয়।



















