বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও উন্নতি হচ্ছে ধীরগতিতে। দীর্ঘদিনের লিভারের জটিলতা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে চিকিৎসকদের। ক্রিটিনিনের মাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ সীমা অতিক্রম করায় প্রতিনিয়ত ডায়ালাইসিস চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না পৌঁছানোয় বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দিতে পারছে না মেডিকেল বোর্ড। প্রতিদিন বৈঠক করে ২০ জনেরও বেশি দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চিকিৎসা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনছেন।
নিরাপত্তা বিবেচনায় তাঁকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা কমানো–বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিদিন বিভিন্ন পরীক্ষা করা হচ্ছে। সার্বিক অবস্থা ঝুঁকিমুক্ত না হলেও আশঙ্কাজনকও নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসা সমন্বয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন তাঁর বড় পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান। পরিবারের অন্যান্য সদস্যও হাসপাতালে সময় কাটাচ্ছেন তাঁর সঙ্গে। মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, বয়সজনিত কারণ এবং বহুমুখী স্বাস্থ্যজটিলতার কারণে সেরে উঠতে সময় লাগছে খালেদা জিয়ার।



















