মঙ্গলবার , ১৮ নভেম্বর ২০২৫ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ডলারের আধিপত্য দুর্বল, ব্রিকস-যুক্তরাষ্ট্রের কাহিনিতে ফাঁক

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
নভেম্বর ১৮, ২০২৫ ১২:০৫ অপরাহ্ণ

Spread the love

আন্তর্জাতিক আর্থিক অঙ্গনে ডলারের আধিপত্য ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। উদীয়মান ব্রিকস দেশগুলো ডলারের বিকল্প খুঁজছে, আর যুক্তরাষ্ট্র এই প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাচ্ছে। উভয় পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে একই গল্প বললেও—ডলারের রাজনৈতিক ‘অস্ত্রায়ন’ বা জবরদস্তি ব্যবহার—আসলে বিষয়টি আর্থিক বাস্তবতায় আরও গভীর।

২০২২ সালে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সময় ওয়াশিংটন বৈশ্বিক ডলার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ারে রূপান্তরিত করে। তবে ডলার-বিমুখতার প্রকৃত চালিকাশক্তি রাজনৈতিক কারণে নয়, অর্থনৈতিক কারণে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ঋণ ও নেতিবাচক প্রকৃত সুদের হার রিজার্ভ ধারণকারী দেশগুলোর ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস করছে। ২০১৪ সাল থেকে বিদেশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মার্কিন ট্রেজারি নিটভাবে কেনা বন্ধ করেছে, আর ২০২০-২২ সালে ফেডারেল ঋণ ২৩ ট্রিলিয়ন থেকে ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষক লুক গ্রোম্যান বলেন, এটি জাতির সম্পদ বাজেয়াপ্তের সমতুল্য। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ডলারের অস্ত্রায়ন রাজনৈতিক হাতিয়ার হলেও এর ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ২০২৩ সালের এপ্রিলেই স্বীকার করেছেন, নিষেধাজ্ঞা ব্যবহারের ফলে ডলারের আধিপত্য দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

অন্যদিকে, ব্রিকস দেশগুলো অর্থনৈতিক ঝুঁকি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে চায় না। তারা এখনও বিপুল পরিমাণ ডলার সম্পদ রাখে। তাই তারা নীরবে স্বর্ণ সংগ্রহ করছে, ডলার-বহির্ভূত দ্বিপাক্ষিক লেনদেন বাড়াচ্ছে এবং নতুন আর্থিক অবকাঠামো তৈরি করছে।

শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, ব্রিকস ও ওয়াশিংটন উভয়ই ডলারের দুর্বলতার পেছনে ভূ-রাজনীতি ও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি বেশি উজ্জ্বলভাবে দেখাচ্ছে। বাস্তবে, ডলারের ক্ষয় হচ্ছে মূলত আর্থিক কাঠামোর কারণে। ওয়াশিংটন হয়তো নিজেদের প্রোপাগান্ডায় বিশ্বাস করে, আর ব্রিকস দেশগুলো ধীরে ধীরে এই ব্যবস্থাকে প্রতিস্থাপন করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

সর্বশেষ - অপরাধ