অগ্নিকাণ্ডের উচ্চ ঝুঁকি নিয়েই সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হয় দাহ্য রাসায়নিক মিথানল। স্থলবন্দরে ফায়ার সার্ভিসের কোনো ইউনিট না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটলে বিপদের মুখে পড়ে পুরো এলাকা। গত বছর মিথানলবাহী এক লরিতে আগুন লাগলে ভারতের ডাউকি থেকে আনতে হয়েছিল অগ্নিনির্বাপক দল।
এছাড়া বন্দরে কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোনো ল্যাব না থাকায় শাবিপ্রবিতে নমুনা পাঠিয়ে রিপোর্ট আসার পর খালাস করা হয় মিথানল। এভাবে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ভারতীয় ট্যাংক লরি বন্দর এলাকায় অপেক্ষা করে, যা দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়ায়।
২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর এমন এক লরিতে আগুন ধরে গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বন্দরে। তখন বাংলাদেশের জৈন্তাপুর ও ভারতের ডাউকি থেকে অগ্নিনির্বাপক দল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুর্ঘটনার পর ব্যবসায়ীরা তামাবিল দিয়ে মিথানল আমদানি বন্ধ এবং সেখানে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ও কেমিক্যাল ল্যাব স্থাপনের দাবি জানান। কিন্তু তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ জানান, ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ও ল্যাব স্থাপন এখন জরুরি। তামাবিল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক রায়হান আহমদ বলেন, একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে এই সমস্যা সমাধান হবে। আপাতত সতর্কতার সঙ্গে মিথানল আমদানি চলছে।



















