রবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ

Spread the love

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও উসকানির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শায়ান এবং সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার মতো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আসামিদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী, পলাতক পাঁচ আসামির মধ্যে রয়েছেন এ এস এম মাকসুদ কামাল, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও মাজহারুল কবির শায়ান। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন এবং তানভীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং হামলায় উসকানির বিষয় রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।

সর্বশেষ - অপরাধ