যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ইসরায়েলি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কের প্রতিবাদে বীমা খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘চাব’ (Chubb)-এর সদরদপ্তর অবরোধ করেছেন একদল অধিকারকর্মী। মঙ্গলবার সকালে ‘পিপল অ্যাগেইনস্ট জেনোসাইড’ নামক একটি সংগঠনের কর্মীরা এই কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভকারীরা চাবের প্রবেশপথে অবস্থান নিয়ে নিজেদের ‘লক-অন’ করে দেওয়ায় কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাঁদের দাবি, চাব যদি এলবিট সিস্টেমসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘শেনস্টোন’-কে বীমা সুবিধা প্রদান বন্ধ না করে, তবে তাঁদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বিক্ষোভের মূল কারণ ও অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের মতে, চাবের বীমা সুবিধার ওপর ভিত্তি করেই এলবিট সিস্টেমস যুক্তরাজ্যে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এলবিট সিস্টেমস ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যারা গাজা অভিযানে ব্যবহৃত সামরিক ড্রোনের ইঞ্জিন এবং বিভিন্ন অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র উৎপাদন করে। অধিকারকর্মীদের দাবি, এই বীমা সুবিধা পরোক্ষভাবে গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তা করছে। উল্লেখ্য, এটি চাবের বিরুদ্ধে এই সংগঠনের পঞ্চম কর্মসূচি। যদিও এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত চাব বা এলবিট সিস্টেমসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বৈশ্বিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে প্রভাব বর্তমানে যখন গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর নৈতিক চাপের সৃষ্টি হচ্ছে, তখন লন্ডনের এই বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বাংলাদেশে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছেন, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিবাদগুলো ভূ-রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে মানবাধিকার ও নৈতিক ব্যবসার প্রশ্নটি এখন বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ইসরায়েলি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কের প্রতিবাদে বীমা খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘চাব’ (Chubb)-এর সদরদপ্তর অবরোধ করেছেন একদল অধিকারকর্মী। মঙ্গলবার সকালে ‘পিপল অ্যাগেইনস্ট জেনোসাইড’ নামক একটি সংগঠনের কর্মীরা এই কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভকারীরা চাবের প্রবেশপথে অবস্থান নিয়ে নিজেদের ‘লক-অন’ করে দেওয়ায় কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাঁদের দাবি, চাব যদি এলবিট সিস্টেমসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘শেনস্টোন’-কে বীমা সুবিধা প্রদান বন্ধ না করে, তবে তাঁদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বিক্ষোভের মূল কারণ ও অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের মতে, চাবের বীমা সুবিধার ওপর ভিত্তি করেই এলবিট সিস্টেমস যুক্তরাজ্যে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এলবিট সিস্টেমস ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যারা গাজা অভিযানে ব্যবহৃত সামরিক ড্রোনের ইঞ্জিন এবং বিভিন্ন অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র উৎপাদন করে। অধিকারকর্মীদের দাবি, এই বীমা সুবিধা পরোক্ষভাবে গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তা করছে। উল্লেখ্য, এটি চাবের বিরুদ্ধে এই সংগঠনের পঞ্চম কর্মসূচি। যদিও এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত চাব বা এলবিট সিস্টেমসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বৈশ্বিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে প্রভাব বর্তমানে যখন গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর নৈতিক চাপের সৃষ্টি হচ্ছে, তখন লন্ডনের এই বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বাংলাদেশে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছেন, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিবাদগুলো ভূ-রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে মানবাধিকার ও নৈতিক ব্যবসার প্রশ্নটি এখন বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা



















