রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায় রেকর্ড দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন ও ফাঁসির রায় আসায় পুলিশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ. রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে রামিসা হত্যা মামলার রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই প্রশংসা করেন. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই নির্মম ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসিত. তারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত সম্পন্ন করায় এই আলোচিত ও সংবেদনশীল মামলাটি আদালতে প্রমাণ করা কঠিন ছিল না. এভাবেই অত্যন্ত দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি উল্লেখ করেন.
পুলিশ সদস্যদের পুরস্কারের ঘোষণা ও রায়ের বিবরণ
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান যে, সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের আরও কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অত্যন্ত দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হবে. এর আগে, আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এই রামিসা হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন. রায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় অপরাধের চরম নৃশংসতা বিবেচনা করে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার– দু’জনকেই মৃত্যুদণ্ডের (ফাঁসি) আদেশ দেন আদালত. একই সঙ্গে প্রধান আসামিকে ৫ লাখ ও তার স্ত্রীকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়, যা ভুক্তভোগী শিশুটির অসহায় পরিবার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবে.


















