আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত মার্চের শেষ দিকে ইরানের অভ্যন্তরে অত্যন্ত গোপনে সামরিক অভিযান চালিয়েছে সৌদি আরব। পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় হামলার জেরে এই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে রিয়াদ। এটিই প্রথমবারের মতো সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে সৌদি আরবের সামরিক আগ্রাসনের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। হামলার পর সৌদি আরব বিষয়টি তেহরানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে এবং ভবিষ্যতে হামলা অব্যাহত থাকলে আরও ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দেয়, যা পরবর্তীতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক আলোচনার পথ তৈরি করে।
অন্যদিকে, ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এপ্রিলের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের লাভান দ্বীপে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগারে গোপন বিমান হামলা চালিয়েছে। যদিও আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায় স্বীকার করেনি, তবে ওই হামলার ফলে শোধনাগারটিতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে আমিরাতের পর্যটন ও আবাসন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর এই সরাসরি সামরিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।



















