শুক্রবার , ৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

থার্ড টার্মিনাল ইস্যুতে জাপানি কনসোর্টিয়ামের দিকে সরকারের ঝোঁক

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৩, ২০২৬ ২:৪৭ অপরাহ্ণ

Spread the love

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল (Third Terminal) পরিচালনার দায়িত্ব জাপানি কনসোর্টিয়ামকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল, ২০২৬) জাপানি প্রতিনিধি দলের সাথে উচ্চপর্যায়ের দ্বিতীয় দফার বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ইতিবাচক সংকেত দিয়েছেন।

বৈঠকের মূল সিদ্ধান্ত ও টার্মিনাল চালুর সম্ভাব্য সময়সূচি নিচে তুলে ধরা হলো:

১. আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু: রাজস্ব ও আর্থিক কাঠামো

এবারের বৈঠকে মূলত পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত আর্থিক দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্ব পেয়েছে:

  • এমবার্কেশন ফি (উড্ডয়ন ফি): যাত্রীদের ওপর আরোপিত ফি-র হার নির্ধারণ।
  • আপফ্রন্ট পেমেন্ট: চুক্তি স্বাক্ষরের সময় জাপানি পক্ষ থেকে অগ্রিম অর্থ প্রদান।
  • রাজস্ব ভাগাভাগি: টার্মিনাল থেকে অর্জিত আয়ের কত শতাংশ বাংলাদেশ পাবে, তা নিয়ে সমঝোতা।

২. জাপানি কনসোর্টিয়ামের সংশোধিত প্রস্তাব

জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো, সোজিৎজ এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশনের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামটি তাদের আগের প্রস্তাব কিছুটা সংশোধন করে খরচ কমিয়ে এনেছে, যা দুই পক্ষের মধ্যকার মতপার্থক্য কমিয়ে দিয়েছে। আগামী সোমবার (৬ এপ্রিল) এ বিষয়ে পুনরায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

৩. উদ্বোধনের সম্ভাব্য সময়

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, দুই পক্ষ একমত হলে চুক্তি সই করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। সবকিছু ঠিক থাকলে টার্মিনালটি:

  • ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা,
  • ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে উদ্বোধন করা হতে পারে।

৪. প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে দ্রুততম সময়ে টার্মিনালটি চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে প্রায় দেড় বছর কাজ থমকে থাকায় অনেক বিদেশি এয়ারলাইন বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি, যা এখন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে।

৫. থার্ড টার্মিনালের সক্ষমতা ও গুরুত্ব

  • নির্মাণ ব্যয়: প্রায় ২১,৩৯৮ কোটি টাকা (জাইকার বড় অর্থায়নে)।
  • আয়তন: প্রায় ৫৪২,০০০ বর্গমিটার।
  • সক্ষমতা: বছরে অতিরিক্ত ১২ থেকে ১৬ মিলিয়ন যাত্রী এবং ৯ লাখ টন কার্গো হ্যান্ডেল করার ক্ষমতা।

এই টার্মিনালটি পুরোদমে চালু হলে বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং আন্তর্জাতিক কানেক্টিভিটি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় উপদেষ্টা পরিষদের দোয়া-মোনাজাত

সব অভিযোগ মিথ্যা, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাইনি

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ঘন কুয়াশায় মেঘনায় লঞ্চ সংঘর্ষ, নিহত ৪

জগন্নাথ ছাত্র হত্যার আসামি বর্ষার জামিন নামঞ্জুর

বিমসটেক সমুদ্র পরিবহণ সহযোগিতা চুক্তিতে সই

এনসিপি নেতাদের খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর

যুদ্ধে অস্বীকৃতি জানানো সেনাদের মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে রাশিয়ান কমান্ডাররা: প্রতিবেদন

ডিসেম্বরে তফসিল, প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট, ড্রোনে নিষেধাজ্ঞা

সাবেক গণপূর্তমন্ত্রীর‘ক্যাশিয়ার’ গ্রেপ্তার