পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধের হালনাগাদ তথ্য জানিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ নেতা মাহমুদ হাসান খান জানান, সমিতির তালিকাভুক্ত কারখানাগুলোর মধ্যে ৯৯.৯১ শতাংশে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন এবং ৯৯.৮১ শতাংশে ঈদ বোনাস প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট অল্প কিছু কারখানার পাওনা পরিশোধের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে, যা আজকের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকা সত্ত্বেও মানবিক বিবেচনায় প্রায় ৬৪ শতাংশ কারখানা মার্চ মাসের আংশিক বেতন অগ্রিম প্রদান করেছে।
সরকারি সহায়তা ও ছুটি ব্যবস্থাপনা:
- আর্থিক প্রণোদনা: সরকার কর্তৃক শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের জন্য সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা এবং দ্রুততম সময়ে ২৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড় করায় উদ্যোক্তাদের তারল্য সংকট লাঘব হয়েছে। মাহমুদ হাসান খান এই কার্যকর পদক্ষেপের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে শিল্পের চাকা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।
- পর্যায়ক্রমিক ছুটি: মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের চাপ ও জনভোগান্তি কমাতে এলাকাভিত্তিক ধাপে ধাপে কারখানাগুলোতে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৭ মার্চ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট কারখানাগুলো ঈদের আগের দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছুটি পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ-র সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমানসহ সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পিতভাবে ছুটি প্রদান এবং সময়মতো বেতন-বোনাস পরিশোধের ফলে এবার পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে ঈদের আনন্দ যথাযথভাবে ছড়িয়ে পড়বে বলে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



















