মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তেই বিশ্ব অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার এশিয়ার বাজার খোলার সাথে সাথেই জ্বালানি তেলের দামে ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিমেক্স লাইট সুইট অয়েল—উভয় ক্ষেত্রেই দাম ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়। যদিও শুরুর সেই আকস্মিক উল্লম্ফন পরে কিছুটা স্তিমিত হয়েছে, তবুও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৬ ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে এই সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
তেলের বাজারের এই অস্থিরতা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে। এশিয়ার প্রধান পুঁজিবাজারগুলোতে লেনদেন শুরুর পর থেকেই দরপতন দেখা গেছে; বিশেষ করে হংকংয়ের হ্যাং সেং এবং জাপানের নিক্কেই সূচকে বড় ধরনের পতন রেকর্ড করা হয়েছে। কেবল এশিয়া নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটেও অস্থিরতার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং নাসডাকের ফিউচার সূচকগুলো নিম্নমুখী। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও পশ্চিমা শক্তির এই সংঘাত যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তবে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি থমকে যেতে পারে।



















