নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ ও আইনি সুযোগ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে ২৯৭টি আসনের গেজেট জারি করার মাধ্যমে নির্বাচিতদের নাম ও পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। তবে এই ফলাফল বা কোনো কেন্দ্রের অনিয়ম নিয়ে যদি কোনো প্রার্থীর আপত্তি থাকে, তবে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (RPO) ১৯-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন। গেজেট প্রকাশের ৪৫ দিনের মধ্যে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীকে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত থাকা চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফল এই গেজেটের অন্তর্ভুক্ত নয়, যা পরবর্তীতে নিষ্পত্তি করা হবে।
শপথ ও সরকার গঠনের সময়সীমা সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর প্রথম তিন দিনের মধ্যে বিদায়ী স্পিকার বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তিকে শপথ পড়াতে হয়। বর্তমান স্পিকারের অনুপস্থিতিতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই দায়িত্ব পালন করবেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, তাঁরা ১৫ ফেব্রুয়ারির (আজ) মধ্যেই সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে চান। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বিএনপি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সংসদ গঠনে সকল দলকে নিয়ে একযোগে কাজ করবে।
জুলাই সনদ ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিশ্চিত করেছেন যে, বিএনপি ‘জুলাই সনদে’ যে বিষয়গুলোতে স্বাক্ষর করেছে, সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। একই সাথে বিএনপির দীর্ঘদিনের ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার রূপরেখা ও নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী পুলিশ, প্রশাসন ও বিচার বিভাগের সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে। জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটি জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা কায়েম করাই হবে এই সংসদের মূল লক্ষ্য।



















