সাধারণ ছুটির ঘোষণা ও ব্যাংকিং বিরতি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। নির্বাচন কমিশন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী আদেশের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা ৪ দিন ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার থেকে পুনরায় নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংক খোলা থাকবে।
ভোটাধিকার নিশ্চিত ও দাপ্তরিক নির্দেশনা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সরকার এই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসডিএডি এবং ডিএফআইএম বিভাগ জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০২৩-এর অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বার্তা পাঠানো হয়েছে। মূলত নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা এবং জনবলকে ভোটের কাজে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ।
বিকল্প লেনদেন ও অনলাইন সেবা টানা ছুটির মধ্যে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে এটিএম বুথ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাগুলো সচল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী:
- এটিএম বুথ: নগদ অর্থ উত্তোলনের জন্য বুথগুলো সার্বক্ষণিক সচল থাকবে।
- ডিজিটাল সেবা: ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এমএফএস (বিকাশ, রকেট, নগদ) এবং পিওএস (POS) সার্ভিস নিয়মিতভাবে চালু থাকবে। তবে আন্তঃব্যাংক চেক ক্লিয়ারেন্স বা এলসি সংক্রান্ত জরুরি কাজগুলো আজ অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলের মধ্যেই সম্পন্ন করার জন্য গ্রাহকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।



















