অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে আসায় এবং ব্যক্তিগত বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে উপদেষ্টারা তাদের কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ (সবুজ) পাসপোর্ট গ্রহণ করতে শুরু করেছেন। মূলত সাধারণ পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় দেশের ভিসা পেতে সময় লাগার বিষয়টি বিবেচনা করেই তারা মেয়াদের শেষ সময়ে এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ইতোমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করেছেন:
- মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা)
- মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা)
- আদিলুর রহমান খান (গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা)
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান (পরিবেশ উপদেষ্টা)
- অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা)
- আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া (শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা) – তিনি নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্তও জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি বা তার স্ত্রী এখনো তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেননি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, দায়িত্ব পালনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর করা কিছুটা ‘অস্বাভাবিক’। তবে অন্য উপদেষ্টারা যারা দ্রুত ভিসা বা সাধারণ পাসপোর্ট পেতে চান, তাদের এই সিদ্ধান্তকে তিনি সময়ের সাশ্রয় হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য যে, নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগের পর বা পদের মেয়াদ শেষে কূটনৈতিক পাসপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যায়। তবে সাধারণ পাসপোর্ট পেতে দুই স্তরের তদন্ত প্রতিবেদনের (Security Clearance) প্রয়োজন হয় বলে উপদেষ্টারা আগাম এই প্রক্রিয়া শুরু করেছেন



















