ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোতায়েন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে কমিশন।
গতকাল সকালে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড, আনসার-ভিডিপিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন নিশ্চিত করতে কোনো ব্যত্যয় হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এবারের নির্বাচনে পৌনে ১৩ কোটি ভোটার এবং ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার কেন্দ্র থাকবে। এসব কেন্দ্রে মোট ৭ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সাড়ে ৫ লাখের বেশি আনসার-ভিডিপি সদস্য কেন্দ্রীয় দায়িত্বে, আর ৯০ হাজারের বেশি সেনা সদস্যসহ অন্যান্য বাহিনী মাঠে থাকবে।
নিরাপত্তা তিন স্তরে ভাগ করা হয়েছে—স্থির বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ টহল এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স। কেন্দ্র ও এলাকা ভিত্তিক চেকপোস্ট, মোবাইল চেকপোস্ট এবং ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী টহল ব্যবস্থা চালু থাকবে। নির্বাচনী সহায়তায় সামরিক বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে জানানো হয়।
তফসিল ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনে নির্দেশ দিয়েছে ইসি। দলের নেতা-কর্মী থেকে প্রার্থী—সবার জন্যই আচরণবিধি মানা বাধ্যতামূলক হবে বলে জানানো হয়েছে।



















