ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ঘোষিত প্রার্থীদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয়ভাবে চলছে গোপন মাঠ জরিপ; যার ভিত্তিতে কিছু আসনে পরিবর্তন আসতে পারে। দলের শীর্ষ নেতাদের ৫০টি আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব।
জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, যেসব আসনে দলের অবস্থান তুলনামূলক শক্তিশালী, অতীতে জয়ী হয়েছে বা নতুন করে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে—সেসব আসনকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ৩৯টি আসন ইতোমধ্যে চূড়ান্ত, আর ১১টি আসন এখনো প্রক্রিয়াধীন।
দলের নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা-১৫ আসনে লড়ছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, খুলনা-৫ (ফুলতলা–ডুমুরিয়া) আসনে সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া পিরোজপুর, পাবনা, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দলের প্রয়াত নেতাদের সন্তানরাও ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাজিবুর রহমান মোমিন (পাবনা-১), দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর দুই ছেলে মাসুদ ও শামীম সাঈদী (পিরোজপুর-১ ও ২) এবং মীর কাসেম আলীর ছেলে আইনজীবী মীর আহমদ বিন আরমান (ঢাকা-১৪) নিজ নিজ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের সাতটিতে ও কুমিল্লার ১১টি আসনের ছয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। পাশাপাশি সিলেট বিভাগের নয়টি আসনকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা ২৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছি, সবাই প্রচারে সক্রিয়। এখনো কিছু আসনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় আছে।”



















