প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক জমকালো ইফতার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি দেশে মানবাধিকার রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে তাঁর সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই টেবিলে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূতগণ প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে বসে ইফতারে অংশ নেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব ও ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা এই আয়োজনে যোগ দেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, সমমর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীগণ ছাড়াও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের এমন অংশগ্রহণ এবং বিশ্বনেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি নতুন বাংলাদেশের কূটনৈতিক সফলতার একটি ইতিবাচক চিত্র হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যমুনার এই ইফতার মাহফিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



















