তিস্তা নদীর পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। তবে এখনো নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার নিম্নাঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। কোথাও কোথাও নদীভাঙনের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
ডালিয়া পয়েন্টে গতকাল সকাল ৯টায় পানিপ্রবাহ বিপৎসীমার নিচে নেমে এলেও পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। পানি কমতে থাকায় এখন ভাঙনের আতঙ্কে তিস্তা তীরের মানুষ।
লালমনিরহাটে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, অনেকেই অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসনের দাবি, ত্রাণের কোনো ঘাটতি নেই, সবাইকে সহায়তার আওতায় আনা হবে।
রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলে ৫ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি। আমন ধান ও সবজি ক্ষেত প্লাবিত হয়েছে, ভেসে গেছে মাছের খামার।
এদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীভাঙনে ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। আরও ২০০টির বেশি বাড়ি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তিস্তার পানি নামলেও ভাঙনের ঝুঁকি রয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা ও স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনা চলছে।



















